মুনি আম্মি
শাড়িতে মুনি আম্মি
শাড়িতে মুনি আম্মি
জ্বর হলে আমরা সবাই টের পাই। অসুস্থ বোধ হয়, দুর্বল লাগে, তাপমাত্রা বাড়ে, শরীরে ম্যাজমেজে ভাব আসে ও কিছু খেতে ইচ্ছা করে না। অনেক সময় মাথাব্যথা করে। থার্মোমিটারে তাপমাত্রা মেপে ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি পেলে জ্বর হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। জ্বরের কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকমের সংক্রমণ ও প্রদাহ। এ ছাড়া আরও কিছু রোগের লক্ষণ হিসেবে শরীরে জ্বর আসতে পারে। তবে কেউ কেউ প্রায়ই জ্বর অনুভব করেন, কিন্তু থার্মোমিটারে মাপলে তা জ্বরের সীমা অতিক্রম করে না। কেন এমন হয়? এটা কি কোনো রোগ? জ্বর না এলেও কেবল জ্বর জ্বর অনুভূতি হলে কি চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত?
কেন এমন অনুভূতি হয়?
মানসিক দুশ্চিন্তা
যাঁরা নিয়মিত মানসিক দুশ্চিন্তায় ভোগেন, তাঁদের এ রকম হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে তাঁদের শরীরে স্ট্রেস রেসপন্স হয়, যেটা অনেক সময় জ্বরের মতো অনুভূতি দেয়।
হরমোনের পরিবর্তন
একটা পর্যায়ে গিয়ে নারীদের মেনোপজ হয়, মানে মাসিক বন্ধ হয়ে যায়। সে রকম সময়ে বা মেনোপজের আগে শরীরে বিভিন্ন বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়, যা জ্বরের মতো মনে হয়।
পানিশূন্যতা
পানি শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পানিশূন্যতা হলে শরীরের বিপাকক্রিয়ায় সমস্যা হয়। এতে শরীরে বিভিন্ন রকমের পরিবর্তন আসে, এর মধ্যে জ্বর জ্বর ভাব অন্যতম।
ওষুধের প্রতিক্রিয়া
কিছু কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে শরীরে জ্বর জ্বর ভাব হয়।
ভাইরাস সংক্রমণের শুরু বা শেষে
জ্বর ভাইরাস সংক্রমণের সাধারণ লক্ষণ। তবে শুরুর দিকে অর্থাৎ সংক্রমণের প্রথম এক থেকে দুই দিন জ্বর জ্বর ভাব থাকে, আবার জ্বরের প্রভাব যখন কমতে থাকে, সে সময়ও এমনটা হয়।
সাধারণ মানুষের অন্তরে যেখানে কোনো কুটিলতা নেই, বিদ্বেষ নেই, সাম্প্রদায়িক বিভেদ নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই, সেখানে সেই বিষয়টিকেই ইস্যু করে সাধারণ মানুষকে উসকে দিয়ে তাদের অন্তরে কুটিলতা ও বিদ্বেষের বীজ বপন করা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে সংকটে রূপান্তরিত করা এবং দেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার কাজে যারা পটু, তারা যেন ইবলিশেরই যমজ!
তাই, এদের ফিতনা-ফ্যাসাদের ফাঁদে পা দেওয়া থেকে জনগণকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সামাজিক ঐক্য রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।
সুখী হওয়া সহজ, কিন্তু সহজ হওয়া খুবই কঠিন।
Good day for everyone. 10 October 2026
zettaxas.com/news
একজন পুরুষ তার নিজের ওজনের দ্বিগুণ ওজন বহন করতে পারে কিন্তু ......
Goodbey
আমাদের সৌরজগৎ (Solar System) সূর্য এবং এটিকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান মহাজাগতিক বস্তুসমূহ নিয়ে গঠিত। এর কেন্দ্রে রয়েছে সূর্য, যা সম্পূর্ণ সৌরজগতের মোট ভরের ৯৯.৮৫% ধারণ করে। সূর্যকে কেন্দ্র করে ৮টি প্রধান গ্রহ, অসংখ্য উপগ্রহ, এবং লক্ষ লক্ষ গ্রহাণু ও ধূমকেতু প্রতিনিয়ত ঘুরছে।
আমাদের সৌরজগতের একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি নিচে দেওয়া হলো:
## ☀️ প্রধান নক্ষত্র: সূর্য
সৌরজগতের একমাত্র নক্ষত্র এবং শক্তির প্রধান উৎস। এর প্রবল মহাকর্ষ বলের কারণেই গ্রহগুলো নিজ নিজ কক্ষপথে টিকে থাকে।
## 🪨 ভেতরের পাথুরে গ্রহসমূহ (Inner Planets)
সূর্যের সবচেয়ে কাছের এই চারটি গ্রহ মূলত কঠিন শিলা ও ধাতু দিয়ে তৈরি:
* বুধ (Mercury): সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ।
* শুক্র (Venus): ঘন বায়ুমণ্ডলের কারণে এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ।
* পৃথিবী (Earth): আমাদের বাসভূমি, যা সৌরজগতের একমাত্র প্রাণবায়ু ও তরল পানি সমৃদ্ধ গ্রহ।
* মঙ্গল (Mars): লাল গ্রহ নামে পরিচিত, যেখানে ভবিষ্যতে মানুষের বসতি স্থাপনের গবেষণা চলছে।
## 🪐 বাইরের গ্যাস ও বরফ দানব গ্রহসমূহ (Outer Planets)
মঙ্গল গ্রহের পরে অবস্থিত এই গ্রহগুলো আকারে বিশাল এবং মূলত গ্যাস ও বরফ দ্বারা গঠিত:
* বৃহস্পতি (Jupiter): সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ, যা এতটাই বিশাল যে অন্য সব গ্রহ এর ভেতরে এঁটে যেতে পারে।
* শনি (Saturn): এর চারপাশের চোখ ধাঁধানো ও চমৎকার বরফ-পাথরের বলয়ের (Rings) জন্য এটি বিখ্যাত।
* ইউরেনাস (Uranus): একটি শীতল বরফ দানব, যা নিজের অক্ষের ওপর অদ্ভুতভাবে সম্পূর্ণ কাত হয়ে ঘোরে।
* নেপচুন (Neptune): সূর্যের সবচেয়ে দূরের গ্রহ, যেখানে প্রচণ্ড গতিতে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়।
## ☄️ অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তু
* বামন গ্রহ (Dwarf Planets): প্লুটো (Pluto), সেরেস এবং এরিসের মতো ছোট বৃত্তাকার জগত।
* গ্রহাণু বেল্ট (Asteroid Belt): মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের মাঝখানের অঞ্চলে ঘূর্ণায়মান লাখ লাখ পাথুরে গ্রহাণু।
* কাইপার বেল্ট (Kuiper Belt): নেপচুনের বাইরে অবস্থিত একটি বরফাবৃত অঞ্চল, যেখানে ধূমকেতু ও বামন গ্রহের অবস্থান।
----------------------
Good Morning
(বাঙালি বলে কথা! 🙂)
ঘটনা হাসপাতালে। রোগী বেচারার মুখে কোনো রুচি নেই, শরীরে বল নেই। ডাক্তার সাহেব এসে বেশ গম্ভীর মুখে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে একটা নরমাল স্যালাইন ঝুলিয়ে দিয়ে গেলেন।
কিন্তু সমস্যা তো ডাক্তারকে নিয়ে নয়, সমস্যা হলো রোগীর সাথে থাকা অতি-উৎসুক, মহাবিজ্ঞানী স্বজনদের নিয়ে! ডাক্তার স্যালাইন দিয়ে ঘর থেকে বের হতেই তাঁদের মাথায় এক যুগান্তকারী “আইনস্টাইনীয় ভাবনায়” বিজলি চমকে উঠল।
তাঁদের বৈজ্ঞানিক গবেষণা শুরু হলো এভাবে,
“হুমম… স্যালাইন তো রক্তে যাচ্ছে। মানে ঘুরেফিরে তো পেটেই যাবে! ডাক্তার তো শুধু স্যালাইন দিচ্ছে, কিন্তু রোগী তো মুখে কিচ্ছু খাচ্ছে না। তাই স্যালাইনের সাথে যদি একটু 'ট্যাং'-এর গুঁড়ো গুলে ঝুলিয়ে দেওয়া যায়? আহা! ভিটামিন সি-ও পাবে, শরীরে জোরও আসবে, অরেঞ্জ ফ্লেভারে ডাবল ফায়দা! এক টিকিটে দুই ছবি!”
ব্যস! যেই চিন্তা সেই কাজ! কোনো ধরনের দ্বিধাবোধ ছাড়াই স্যালাইনের বোতলে চালান হয়ে গেল এক চামচ অরেঞ্জ ট্যাং-এর গুঁড়ো! পুরো স্যালাইন তখন একদম রাজকীয় কমলা রঙ ধারণ করে টপ টপ করে রগে ঢুকতে শুরু করেছে।
কিছুক্ষণ পর ডাক্তার সাহেব ওয়ান ফোর্থ স্পিডে হেঁটে ওয়ার্ডের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। ভালো মানুষ হিসেবে রোগীর স্বজনকে দেখে একটু কুশল বিনিময় করলেন,
-“কী ব্যাপার, স্যালাইন ঠিকঠাক চলছে তো?”
রোগীর স্বজন তখন এক বুক আত্মবিশ্বাস আর বিশাল বিজয়ের হাসি হেসে বললেন, “জি ডাক্তার সাহেব! একদম ফার্স্ট ক্লাস চলছে! তবে আপনার স্যালাইনে তো ভিটামিন কম ছিল, তাই চিন্তা করে স্যালাইনের সাথে একটু অরেঞ্জ ফ্লেভারের 'ট্যাং' মিক্স করে ঝুলিয়ে দিয়েছি! এখন তো বেশ রিল্যাক্সে ডাবল ফায়দা পাচ্ছে!”
কথাটা শুনে ডাক্তার সাহেবের চোখের সামনে যেন এক নিমেষে মহাজাগতিক অন্ধকার নেমে এলো! মাথার রগ চক্কর দিয়ে উঠল, কলিজা শুকিয়ে কাঠ!
-“বলেন কী ভাই?? আপনি রগের ভেতর ট্যাং ঢালছেন?? সরবনাশ!”
ডাক্তার সাহেব আর এক মুহূর্তও না দাঁড়িয়ে, হাতা গুটিয়ে, ১০০ মিটার স্প্রিন্টের গতিতে দৌড়ে গেলেন ওয়ার্ডের দিকে। গিয়ে দেখেন, পন্ডিতেরা সত্যিই ঘটনা ঘটিয়ে বসে আছেন! আর স্যালাইনের স্যাচুরেটেড অরেঞ্জ জুস তখন মানুষের রগের মধ্য দিয়ে ইতিহাস রচনার দিকে এগোচ্ছে!
অজ্ঞতার কাছে বিজ্ঞান যে এভাবে হাতজোড় করে আত্মসমর্পণ করবে, তা মনে হয় স্যালাইনের আবিষ্কারকও
কোনোদিন কল্পনা করতে পারেননি!
The Moon and The Earth
Arora কী?
অরোরা হলো পৃথিবীর মেরু অঞ্চলে রাতের আকাশে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়া একধরনের রঙিন আলোর ঝলকানি বা মেরুজ্যোতি প্রদর্শনী। এটিকে অরোরা কী, কীভাবে এটি দেখা যায় সম্পর্কে জেনে সহজে নিচের পয়েন্টগুলো থেকে পরিষ্কার ধারণা নেওয়া যাক।
👉 অরোরা কেন সৃষ্টি হয়?
(১) সৌরকণা: সূর্য থেকে সবসময় চার্জিত কণা বা সৌরবায়ু ছুটে আসে।
(২) চৌম্বক ক্ষেত্র: পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র এই কণাগুলোকে টেনে দুই মেরুর (উত্তর ও দক্ষিণ মেরু) দিকে নিয়ে যায়।
(৩) বায়ুমণ্ডলের সংঘর্ষ: এই কণাগুলো যখন বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের সাথে ধাক্কা খায়, তখন আলো জ্বলে ওঠে। নিয়ন লাইটের মতো এই গ্যাসগুলো রঙ ছড়ায়।
👉 অরোরার প্রকারভেদ
(১) উত্তর মেরু: উত্তর মেরুর অরোরাকে বলা হয় অরোরা বোরিয়ালিস বা উত্তর আলো।
(২) দক্ষিণ মেরু: দক্ষিণ মেরুর অরোরাকে বলা হয় অরোরা অস্ট্রালিস বা দক্ষিণ আলো।
👉 রঙের বৈচিত্র্যসবুজ ও লাল: বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেন গ্যাসের কারণে এই রঙগুলো দেখা যায়।বেগুনি ও নীল: নাইট্রোজেন গ্যাসের কারণে এই রঙগুলো তৈরি হয়।
৮০ এর দশকের পঞ্চগড় এর বাস সার্ভিস
Good night
এমনি করে যায় দিন যাক না।
এমনি করে যায় যদি দিন যাক না।
Good Morning.
শুভ সকাল
শুপ্রভাত
No mony No people, More Mony more people
ফুলের মেলা
Rumi's Quote/ রুমীর উক্তি
আমারও পরাণো যাহা চায়
প্রকৃতির অপূর্ব রূপের সমাহার
Someone made a mess.
Someone else quietly helped. 🥹
No big words, no questions asked.
Just a small act of kindness that made the world feel a little softer
He is faithful who is grateful for me
Good Morning Everyone.
Beauty of Bangladesh